আত্মসমালোচনা -২


ক্বাওমী মাদ্রাসার অধিকাংশ মুহতামিমগন কমিঠির গোলামী করেন ।

মুহতামীমগন মানুষের অনুদানে নির্মিত প্রতিষ্ঠানকে পৈত্রিক সম্পত্তি বলে মনে করেন, এবং তার সন্তান এবং ভক্তবৃন্দের আচরনে মনে হয় মুহতামিম সাহেব তার নিজের সম্পদ বিক্রয় করে তা প্রতিষ্ঠিত করেছেন, অথচ বাস্তবতা হলো এই প্রতিষ্ঠানের টাকায় তার সংসার চলে, এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই তার আয় উন্নতি বাড়ে ।

সাধারন শিক্ষক ৫ মাসের বেতন পাওনা থাকলেও মুহতামিমের বেতন অগ্রিম নেয়া থাকে ।

কোন উস্তাদ যদি মুহতামিম থেকে যোগ্য হয়
অথবা ছাত্ররা যদি কোন উস্তাদের প্রতি বেশি আনুগত্য প্রকাশ করে তবে মুহতামিম সাহেব যে কোন অযুহাতে ঐ উস্তাদকে প্রতিষ্ঠান থেকে বিতারিত করেন ।

অন্যান্য উস্তাদ অসুস্থ থাকলেও যেখানে ছুটি মন্জুর হয় না
সেখানে বছরের ৭ মাস মুহতামিম সাহেবরা সারারাত ওয়াজ করেন , দিনের বেলায় ক্লাসে আসার সুজুগ তেমন পান না ।

ক্লান্ত মুহতামিম সাহেবের দেহ মন চাঙ্গা রাখার জন্য মাদ্রাসা থেকে খেদমতের নামে দেহ মালিশ করানোর জন্য অল্প বয়সের সুন্দর ছেলেদেরকে হুজরায় নিয়ে যান,
মুহতামিম সাহেব বড় হুজুর, তাই তার বিরুদ্ধে কোন ছাত্র উস্তাদ প্রতিবাদ করা নিষেধ ।

মাদ্রাসার গোস্ত বা বাজার অনেক সময় মোহতামিম সাহেবের বাসায় হাদিয়া হিসাবে যায় ।
যদিও এটা মুহতামিমের নেয়া জায়েয় নেই ।

আলহামদুলিল্লাহ এখনো অনেক মুহতামিম সাহেবগন অাছেন যাদের উপরোল্লিখিত অভ্যাসগুলো নেই , তাদের জন্যই এখনো ক্বাওমী মাদ্রাসা টিকে আছে ।

চলবে……..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *