শাহ সাব রহি ইন্তেকালের পরপরই যা পেলাম

১.হুজুর রহি নব্য আশিক্বান।
২.তাঁর ব্যপারে নতুনতর ইতিহাস।
৩.যুগ যুগ ধরে চলে আসা ইতিহাসের নব্যরুপ।
৪.নতুন ভাবে কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন।
৫.নতুন নতুন কামেল,সুফি,ঐতিহাসিক, গবেষক।
৬.নতুনত্বে সাজানো (দরবেশানা) রাহবর।
৭.বিবাদ/দূরত্ব সৃষ্টিকারী একটা শ্রেণী।
৮.ঘাপটি মেরে থাকা মুনাফেকি চরিত্রের নব্য মীর জাফর
৯.চোখ ধাঁধানো আর জৌলসে মোড়কাবৃত একটা সমাজ।
১০.জীবিতকালে তাঁকে ঘৃণা করতো,এখন নিজেদের ভুল(মন হতেই) শোধরাবার চেষ্টা।
১১.শাহ সাব রহি কে ভুল বুঝতো এমন কতক জন,নিজেকে পাপ মুক্ত করার পূর্ণ প্রচেষ্টা।
১২.শাহ সাব রহি এর যোগ্যতাকে অস্বীকার কারী একদল (চুনোপুঁটি) লোক।
১৩.তাঁর আমানত (জামিয়া ইমদাদিয়া,শহিদি মসজিদ)কে ধ্বংসের নব্য পায়তারা।
১৪.তাঁর কলিজার টুকরো ভাই(জামিয়া প্রিন্সিপালকে) সহ্য করতে না পারা।
১৫.শাহ সাব রহি এর খালেস ভক্তদের দেখতে না পারা।
১৬.তাঁর পরিবারের আভ্যন্তরিন বিষয়গুলোকে জনসম্মুখে নিয়ে এসে লাঞ্ছিত করা।
১৭.তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তায় জিলাসি।
১৮.তাঁর মানবীয় দূর্বলতাকে কেন্দ্র করে তার বিশালতায় ভাগ বসানোর অপচেষ্টা।

এই রকম কয়েকশো লিস্ট আমার জানা আছে।কেন এতো জালাতন ওনাকে নিয়ে। তবে কি বলবো ওনিই আপনাদের চক্ষুশূল ছিলেন?ওনিই তবে আপনাদের আতংকের ছিলেন?এতো কেন চিন্তা ওনাকে নিয়ে। মৃত্যুর পরও তাকে নিয়ে কেন এতো নোংরামিতে মেতেছেন?আফসোস হয় না একটিবারের জন্য ও নিজেদের প্রতি?

প্লিজ!আল্লাহর জন্য একটু কোওল হন।কি লাভ এসব করে।ক্ষণস্থায়ী এ দুনিয়ার জন্য চিরস্থায়ী আখেরাতকে কেন বরবাদ করতেছেন।আপনারাই তো আকাবিরদের ইতিহাস বলে মুখে ফেনা তুলে দেন।আর কাজকামে সব আকাবিরদের হতে ট্রিলিয়ন মাইল দূরে।
একবারও কি বুকে হাত দিয়ে চিন্তা করেছেন,কাকে নিয়ে নোংরা রাজনীতিতে মেতেছেন।যার জীবদ্দশায় কখনও তার সামনাসামনি হওয়ার যোগ্যতা রাখতেন না,যাকে রাস্তায় দেখলে ছিটকে পড়তেন,যার তিলাওয়াতের মধুরতায় নিজেরাও মুগ্ধ হতেন।এমনকি এটাি বলতে বাধ্য হতেন যে, তাঁর তিলাওয়াতের সুর সবাইকে বিমোহিত করে।যার একটু হাত নাড়ানোর অপেক্ষায় হাজারো জনতা অপেক্ষায় থাকতো।ইভেন আপনারাও থাকতেন।কারণ আপনারাও জানতেন তাঁর মতো আর কেউ নেই।(আহ শাহ সাব রহিমাহুল্লাহ)

আচ্ছা আপনাদের যদি খুবই দরকার এতো লিডিংয়ের, তাহলে কেন এতো রাজনীতির আশ্রয় নিচ্ছেন। আজ তিনি চলে যাওয়ার আট মাস অতিবাহিত হতে চললো।একেবারেই নিরংকুশ চিন্তা করে দেখেন তো,কোন একটা বিষয়ের ফায়সালা দিতে পেরেছেন?কোন একটা সমস্যার সঠিক সমাধান তো দূর কি বাত এর নূন্যতম সুরাহাও তো করতে পারেন নি।কিন্তু তারপরও কতো সেয়ানামি।আফসোস! আমরাই নাকি মুজাদ্দিদ, মুজাক্কির কিবা….

এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন অথবা বুঝেও না বুঝার ভান করে এই মরহুম মানুষটার যোগ্যতাকে এড়িয়ে যাবেন।তিনিও আমাদের মতোই মানুষ ছিলেন।সবকিছুই আমাদের মতোই ছিলো।কিন্তু ছিলো না পদের মোহ,টাকার মোহ,কারো ব্যপারে বদগুমানী।বরং যার ব্যপারে সন্দেহ হতো,ভরপুর মজলিসেও বলতে দ্বিধা করতেননা। এটাই তার স্পেশালিটি।কোন ব্যপারে নিজের নাম ফুটাতে চাইতেন না।(রহিমাহুল্লাহু)

আবারও বলতেছি-ওনিও মানুষ ছিলেন।তাঁর ভুল থাকতেই পারে।তাঁর আমলের বদলা তিনি আল্লাহর নিকট পাচ্ছেন। আপনারা নিজের দিকে তাকিয়ে দেখুন কি জবাব দিবেন মাওলার কাছে,যদি জিগ্যেস করেন আমার রব-কেন এতো পদলেহী,এতো ভেজা বেড়াল,এতো সুফি,এতো আত্মগরিমা আর এতো যোগ্যতার প্রকট ছিলো কিবা টাকার গরম ছিলো।জবাব আছে আপনাদের নিকট?

দুনিয়ার এই একটু সম্মান পেতে কতো ধ্বংসাত্মক কাজ করতেছেন আপনারা, একটু ভাবুন।এখনও সময় আছে ফিরে আসুন।প্লিজ ফিরে আসুন।

মাহমুদ শারপি
রথখলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *