দারুল উলুম দেওবন্দে এসে অবাক হলেন মক্কা-মদিনার দায়িত্বশীলরা!

পবিত্র হারামাইন শারিফাইন অর্থাৎ পবিত্র হারাম শরিফের দায়িত্বশীল শায়েখ জামাল মুহাম্মদ ইউসুফ এবং মসজিদে নববীর প্রধান দায়িত্বশীল শায়েখ ওয়ালিদ বিন সাঈদ গতকাল উপমহাদেশের ঐতিহাসিক দীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দ পরিদর্শনে এসে অভিভূত হয়েছেন।

পরিদর্শনকালে মেহমানদ্বয় দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নোমানীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে মুফতি আবুল কাসেম নোমানী আরব শায়েখদের সামনে দারুল উলুম দেওবন্দের ইতিহাস এবং ইলমী ময়দানে আকাবিরে দেওবন্দের নজিরবিহীন খেদমতের কথা তুলে ধরেন।

এর আগে মেহমানদ্বয় দারুল উলুমে পৌঁছলে মুফতি আবুল কাসেম নোমানী তাদের অভ্যর্থনা জানান। এসময় মেহমানরা অত্যন্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দ আমাদের মুসলিম জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ মারকাজ।

তারা মুফতি আবুল কাসেম নোমানীর কাছে দারুল উলুমের খরচ কীভাবে নির্বাহ করা হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে কোন সরকারি অনুদান নেয়া হয় না,সাধারণ মুসলমানদের দানেই দারুল উলুমের যাবতীয় খরচ নির্বাহ করা হয়। তখন মেহমানদ্বয় আশ্চর্য হয়ে যান যে, এতবড় এদারা সরকারি অনুদান ছাড়া কিভাবে চলে!

এ সময় মসজিদে নববীর প্রধান দায়িত্বশীল শায়েখ ওয়ালিদ বিন সাঈদ বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দ এবং আকাবিরীনে দেওবন্দের ইতিহাস আমি অনেক কিছুই পড়েছি এবং শুনেছি। সব সময়ই এখানে আসার প্রচন্ড ইচ্ছে ছিলো, আমার জন্য খুবই খুশির ব্যাপার হলো দারুল উলুম দেওবন্দের মতো এতবড় এদারায় আমার আসার সুযোগ হয়েছে।

তিনি বলেন, অবশ্যই দারুল উলুম দেওবন্দ মুসলিম জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ মারকাজ, যে মারকাজের ইলমী ফয়েজ পুরো দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে।

বৈঠক শেষে মেহমানদের দারুল উলুম দেওবন্দের তাখাসসুস ফিল আদবের সিনিয়র উসতায মাওলানা আরিফ জামিলদারুল উলুমের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন লাইব্রেরি, মসজিদে রশীদ, মাতবাখ এবং জাদীদ শাইখুল হিন্দ লাইব্রেরি ভবন পরিদর্শন করান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *